29.8 C
Chittagong
Wednesday, 16 September 2026
বাড়িTop Newsকুষ্টিয়ায় ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য’ ভাঙচুরের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে “আমরা মুক্তিযোদ্ধার...

কুষ্টিয়ায় ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য’ ভাঙচুরের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে “আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান” বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা

 

- Advertisement -nagad


ঢাকা ৫ ডিসেম্বর ২০২০ (শনিবার) কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিৎ দত্ত সৈকত, কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান রুহেল, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের কন্যা ফাতেমা বেগম, এম. এ হান্নান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজ, এস এম জামাল উদ্দিন ফাউন্ডেশনের সভাপতি এস এম ফরহাদ আলী, আমুস সাবেক সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর আশেক রসূল খান বাবু, মো: কাশেম, পলক দাশ, খোরশেদ আলম বাবলু, আমুস মীরসরাই উপজেলা সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম, ডিকু সিকদার সহ মহানগর, উত্তর, দক্ষিণ নেতৃবৃন্দ।
আজ এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাংচুর কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, দেশে চলমান ভাস্কর্য বিরোধী চক্রান্তেরই অংশ। এই ঘটনাকে হালকাভাবে দেখার কোন অবকাশ নেই। অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত ও ইন্ধনদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মুজিব জন্মশতবার্ষিকীর এই মুহুর্তে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বে আঘাতের শামিল। এই অপরাধের সাথে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, দুবৃর্ত্তরা কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচ রাস্তার মোড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ডান হাত, পুরো মুখ ও বাম হাতের অংশ বিশেষ শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় ভেঙে ফেলে।
আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৯ সালে ৫ ই ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নামকরণ করেন “বাংলাদেশ”। আর ২০২০ সালে ৫ ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি মৌলবাদী উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী। তীব্র প্রতিবাদ জানাই, ধিক্কার জানাই সেই সব মৌলবাদী, উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গীগোষ্ঠী পাকি প্রেত্মাতœাদেরকে যারা জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙেছে। একাত্তরের হাতিয়র গর্জে উঠুক আরেকবার। “বঙ্গবন্ধু”মানে বাংলাদেশ, বাংলাদেশের হৃদয়ে যারা আঘাত হেনেছে, ওইসব নরপিচাশদের ক্ষমা নেই। অধিসত্তর তাদের বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

- Advertisment -

সর্বশেষ

Translate »