স্পেশাল করসপন্ডেন্টঃ- চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় জেলা প্রশাসক কতৃক চলাচলের জায়গায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বিরত থাকা ও কোর্টবিল্ডিং এলাকা -কে অন্য কোন নামে লিখা, বলা ও প্রচার -প্রকাশনা করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে মহামান্য হাইকোর্ট ।
আজ ৬ মার্চ চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির করা রীট পিটিশন মামলায় এই নির্দেশনা দিয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করেন হাই কোর্ট এর একটি দ্বৈত বেঞ্চ।
চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়,
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান পুরণো কোর্ট বিল্ডিং এর লাল ভবনের সামনে খোলা ময়দানে যেখানে আইনজীবী বিচার প্রার্থী জনগণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাগরিক সেবা নিতে আসা লোকজনের চলাফেরা ও গাড়ী পার্কিং এর জায়গায় আরসিসি স্তম্ভের সাথে শিকল বেঁধে বাঁধা সৃষ্টি করা এবং সৌন্দর্য বর্ধনের নামে ইট সিমেন্ট দিয়ে নানা ধরনের ছোট ছোট স্হাপনা নির্মান করে পুরো এলাকা অবৈধ ভাবে দখল করে সাধারণ লোকজনের চলাফেরায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে থেকে এই সব অবৈধ প্রতিবন্ধকতা অপসারণের জন্য
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে বারবর অনুরোধ করা হলেও তিনি তা কর্ণপাত না করে দখলদারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়।
এবং জেলা প্রশাসক তার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ধরা কে সরা জ্ঞান মনে করে হটাৎ ঐতিহ্যবাহী “কোর্ট হিল ” কে পরীর পাহাড় নামকরণে মরিয়া হয়ে উঠে।
জেলা প্রশাসক একতরফা ভাবে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনের মাধ্যমে কোর্ট হিল এলাকার নাম বিকৃতি অপচেষ্টা লিপ্ত হয়ে পড়ে।
এবং সরকারি চিঠি পত্রে ও বিকৃত নামে প্রচারণা চালাতে থাকে।
এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে চট্টগ্রাম কোর্ট হিলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর হাইকোর্ট বিভাগে এক রীট পিটিশন দায়ের করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এ এইচ এম জিয়া উদ্দীন।
আজ ৬ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি মামুনুর রহমান ও বিচারপতি খন্দকার দিলারুজ্জামন এর দ্বৈত বেঞ্চ দীর্ঘ শুনানি করেন সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট রতন কুমার রায়, সাবেক ডেপুটি এটর্নী জেনারেল হাসান আরিফ, সহ বেশ কয়েক জন আইনজীবী।
শুনানি শেষে এডভোকেট রতন কুমার রায় বলেন আমরা দীর্ঘ শুনানি করেছি মহামান্য আদালত আমাদের শুনে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কতৃক পুরনো কোর্টবিল্ডিং এর সামনে আইনজীবী বিচার প্রার্থী জনগণ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসা লোকজন চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা ও ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম কোর্ট হিল কে ভিন্ন কোন নামে লিখা, বলা ও প্রচার প্রকাশনা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন , ও জেলা প্রশাসকের এমন কর্মকান্ড কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করছেন।

