ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশের আগে বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্য ছিল ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ পণ্ড করা। কিন্তু মধ্যমপন্থি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপি তাদের কর্মসূচি করেছে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ ও আওয়ামী লীগের পেটোয়া বাহিনী নজিরবিহীন বর্বরতা চালিয়েছে বিএনপি অফিসে। ফাইলপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি, কম্পিউটার, হার্ডডিস্ক, অর্থ লুট, সকল অঙ্গ সংগঠনের অফিস ভাঙচুর, জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল পর্যন্ত ভেঙে ফেলেছে।
‘যেভাবে হামলা চালিয়েছে তা বিশ্বে নজিরবিহীন। নিন্দা করার ভাষা নাই। অফিস থেকে সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে। চার শ’র বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এইসব গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্য ছিল ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ পণ্ড করা।’
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সরকারের নির্দেশে তাদের দলের কর্মীরা ১০ তারিখ ঘিরে এমন কোনো অপকর্ম নাই যে করেনি। আতঙ্কিত করেছে সরকার। বিএনপি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে দেখিয়েছে। আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন গণতান্ত্রিকভাবে করবো এবং এই সরকারের বিদায় জানাবো।’
ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশের আগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছিল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। রোববার এই কার্যালয় খুলে দেয়ার পর সেখানে আসতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বেলা ১১টার দিকে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান।
কার্যালয়ে ঢুকে বিএনপির এ নেতারা ভাঙচুর হওয়া সব কক্ষ পরিদর্শন করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেন তারা। গ্রেপ্তার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

