এম জাহিদ হাসান :: বোয়ালখালীর পূর্ব চরণদ্বীপে কর্ণফুলী পাড়ের বাসিন্দারা বর্ষা আর কাপ্তাই বাঁধের পানি বাড়লেই আতঙ্কে দিন কাটে ইতোমধ্যেই নদীভাঙনে হারিয়েছেন ভিটের অর্ধেক অংশ। বাকিটুকু কখন নদী গিলে খাবে
আতঙ্কে দিনাতিপাত। ভিটেমাটি হারালে যাবে কোথায়, খাবে কি? কে দেবে তাদের আশ্রয়। তার যে নতুন করে সংসার পাতার সেই সামর্থ্য নেই। এমনই পরিস্থিতি পূর্ব চরণদ্বীপ ঘাটিয়াল পাড়ার বাসিন্দা
ইতোমধ্যে তাদের অনেকেই এ বর্ষায় নদীভাঙনে ঘর হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রে ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের দেয়া ঝুঁপড়ি ঘরে। তারা নদীর পাড়ে ব্লক হবে- এমন আশায় আশায় দিন কাটাচ্ছেন এলকাবাসীরা
গত অর্ধযুগ ধরে। কর্ণফুলীর ভাঙনরোধে ৭২ কোটি টাকার সিসি ব্লকের আওতায় তারা এখনো আসেনি। এমনটিই জানালেন স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন,সিক
দীর্ঘসময় আশ্বাসের বাণীতে জনগণকে রাখতে হচ্ছে। তাই দ্রুত এ কাজ বাস্তবায়ন জরুরি স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম বলেন
চট্টগ্রাম ৮ আসের সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, কর্ণফুলী নদী ভাঙ্গন রোধের প্রজেক্টটি একনেকের অপেক্ষায়, একনেকে উঠলে পাশ হয়ে যাবে। একত্রে প্রকল্প হওয়ায় সময় লাগতেছে আলাদা আলাদা হলে পাস হয়ে যেত। যদি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভাঙ্গনরোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পারন কুমার ত্রিপুরা বলেন,ওটা আমরা বরাদ্দ চাইছি, বরাদ্দ পেলে করব। অন্যথায় সামনে একটা পুরো কর্ণফুলী চট্টগ্রামের ৪টি উপজেলায় রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী ও বোয়ালখালী নতুন প্রজেক্ট তৈরি হচ্ছে।
এবার ভাঙনে সব গেল। মরিচ ক্ষেত, সবজি ক্ষেত, ঘর ও গোয়াল সবই। পথে বসতে হয়েছে সকলকে। দিনদিন ছোট হচ্ছে ঘাটিয়াল পাড়া গ্রাম। হুমকির মুখে আরও সহস্রাধিক পরিবার।

