মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক সদিচ্ছায় অবশেষে কালুরঘাট সেতু নির্মাণে দক্ষিণ কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংকের সাথে ৮ হাজার ২শ’ কোটি টাকা ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে। মোট ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকায় নির্মিত হবে রেল কাম সড়ক সেতুটি। ফলে এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে গেল বহুল প্রত্যাশিত কালুরঘাট সেতু।
রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী জুলাই মাসে প্রকল্পটি একনেকে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। এরপর যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এই সেতুর উপর দিয়ে ডাবল ট্র্যাক রেল এবং দুই লেনের সড়ক তৈরি করা হবে। কোরিয়া আমাদের রেল খাত উন্নয়নে আরও এগিয়ে আসবে বলে আশা করছি।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সেতু একটি আবেগের জায়গা। এটি করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন অর্থায়ন নিশ্চিত হলো। জীবনমান বদলে দেবে এই সেতু। সেই সঙ্গে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে একটি করিডোর স্থাপন হবে।
কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কোরিয়া। এই সেতু হলে চট্টগ্রাম বন্দর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলের ম্যে সংযোগ স্থাপন হবে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৮ সালের শেষের দিকে না হলেও ২০২৯ সালের প্রথম দিকে পূর্ণ দৃশ্যমান এবং ব্যবহার উপযোগী হবে বলে আশা করা যায় এ অঞ্চলের মানুষের বহু প্রত্যাশিত কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু।

