চবি করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম :: ছাত্রলীগ ও কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ এড়াতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান বাহন শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো শাটল ট্রেন পৌঁছায়নি । ট্রেন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. অহিদুল আলম।
তিনি জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সংঘর্ষ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাটল ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন আবার চালু করা হবে।
ষোলশহর রেলস্টেশন মাস্টার জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের নির্দেশনায় রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেন বন্ধ রেখেছে।’
এ দিকে বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরের ষোলশহর রেলস্টেশনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাঁটল ট্রেনেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা বেশিরভাগ যাতায়াত করেন।
এর আগে সোমবার (১৫ জুলাই) কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন রুখতে সাঁটল ট্রেনের চাবি নিয়ে রেল চলাচল বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা আন্দোলনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক রাফিকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ। এ সময় তারা রাফির ছাত্রত্ব বাতিলসহ তিনটি দাবি উপস্থাপন করেন। খবর পেয়ে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসের দিকে আসতে থাকেন। এ সময় আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থীকে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ছাত্রীদের হেনস্থারও অভিযোগ পাওয়া যায়।
কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রীরা প্রক্টর অফিসে প্রবেশ করলে বাগ্বিতণ্ডার জের ধরে এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ প্রক্টর অফিসের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

