যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বরাবরই পুরো পৃথিবীর জন্য একটা আলোচনার বিষয়।প্রেসিডেন্ট বা দলের পরিবর্তনে যদিও তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনোরূপ ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়না। তদুপরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিয়মিত চোখ রাখেন দুনিয়ায় বড় চোট সব ক্ষমতাসীন ব্যাক্তি এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা।কারণ বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব সবচাইতে বেশি ভুমিকা রাখে।
নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিস নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে এই পদে তার নাম ঘোষণা করেছিলেন সাবেক মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর এক্স হ্যান্ডলে এ খবর জানিয়ে কমলা লিখেছেন, ‘আমি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ফর্মগুলোতে স্বাক্ষর করেছি। আমি প্রতিটি ভোট অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করব। আর নভেম্বরে আমাদের জনগণের শক্তিতে বলীয়ান প্রচারই জয়ী হবে।’
এদিকে বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর ট্রাম্পের ওপর যে চাপ বাড়ছে সেদিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক পরিচালিত জরিপগুলো। সম্প্রতি দেখা গেছে, এক জরিপে ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন কমলা। ইপসসের নতুন ঐ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প পেয়েছেন ৪২ শতাংশ ভোট। তার বিপরীতে কমলা পান ৪৪ শতাংশ।
তার আগের সপ্তাহের জরিপে দুই জনই ৪৪ শতাংশ সমর্থন পেয়ে একই অবস্থান অর্জন করেন। স্বাভাবিকভাবেই ধারণা তৈরি হয়েছে, ট্রাম্পকে হারানোর মতো শক্তিশালী প্রার্থী হতে যাচ্ছেন কমলা। এ পরিস্থিতিতেই এবার মনোনয়ন জমা দিলেন কমলা।
তবে অনেকে ধারণা করেন যে, কমলাকে হিলারি ক্লিনটনের ভাগ্যবরণ করতে দেখা যেতে পারে যদিও এখনো পর্যন্ত ডেমোক্রেটিক দলের জয় আশা করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নারী প্রেসিডেন্ট এটা নতুন কিছু।তাই কমলার জন্য এটা একটা বড় চ্যালেন্জ। যা কমলাকে অবশ্যই কিছুটা হলেও বিব্রত করবে। আর এতে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পথ কিছুই সহজ হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে নভেম্বরেই সব জল্পনা কল্পনার অবসান হবে।
শেখ সম্রাট
স্পেশাল করেসপেন্ডেন্ট

