কারো চাকরির শেষ সময়। কেউবা একই টেবিলে কাটিয়ে দিয়েছেন দেড় দশক। কাউকে ‘জামায়াত-বিএনপি’ তকমা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানের বাইরে। অনেক অভিজ্ঞ, সিনিয়র ও দক্ষ কর্মকর্তাকে বয়সে সন্তানসমতুল্য কর্মকর্তার অধীনস্থ টেবিলে পোস্টিং দিয়ে চালানো হয় মানসিক নির্যাতন। এমন দীর্ঘ বৈষম্য-বঞ্চনা ও নির্যাতনের আগল ভেঙ্গে শেষ পর্যন্ত পদোন্নতি দেয়া হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বঞ্চিত ৯ কর্মকর্তাকে। ‘উপ-পরিচালক’ থেকে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে ‘পরিচালক’।
আজ (বুধবার) পদোন্নতি বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেনে সংস্থাটির পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বকাউল। উপ-পরিচালক থেকে পরিচালক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, মো: গোলাম ফারুক, ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা, মো: নাছিরউদ্দিন, খান মো: মীজানুল ইসলাম, মো: রফিকুজ্জামান, মো: মোনায়েম হোসেন, মলয় কুমার সাহা, মো: আব্দুল মাজেদ ও সৈয়দ তাহসিনুল হক। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অনেকে আজই যোগদান করেন। তবে সময়মতো স্বাভাবিক পদোন্নতি না হওয়ায় খুশি হতে পারেননি কোনো কোনো কর্মকর্তা। পরিচালক পদে উন্নীত সিনিয়র কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা বলেন, এ পদোন্নতিতে একটি টাকাও বেতন বাড়বে না। যে পদোন্নতি ১৫ বছর আগে স্বাভাবিক নিয়মেই হওয়ার কথা ছিলো সেটি হলো ১৫ বছর পর। এ পদোন্নতিতে ২৯ বছরের চাকরি জীবনে অর্জিত আমার জ্যেষ্ঠতা পুনরুদ্ধার হয়নি।

