নিউজ ডেস্ক, সিএনএন বাংলাদেশ :: ইসরায়েল গাজার কিছু অংশে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অভিযান বন্ধ ও নতুন ত্রাণ করিডর চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর সেখানে আকাশপথে বিমান থেকে ত্রাণ ফেলা শুরু করেছে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
কয়েক মাসের মধ্যে রোববার প্রথম এই দুই দেশ গাজায় প্যারাসুটে করে ২৫ টন খাবার ফেলেছে। জর্ডানের এক কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন।
তাছাড়া, জর্ডান স্থলপথেও ৬০ ট্রাক খাদ্য সরবরাহ গাজায় পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রপরিচালিত সংবাদমাধ্যম। স্থলপথে গাজায় সাহায্য সরবরাহ করছে মিশরও।
জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানায়, রয়াল জর্ডানিয়ান এয়ার ফোর্স আরব আমিরাতের সঙ্গে মিলে ত্রাণ সরবরাহ করছে।
জর্ডানের দুটো সি-১৩০ বিমান এবং আমিরাতের একটি বিমান ত্রাণ সরবরাহ মিশনে জড়িত। তারা গাজার কয়েকটি স্থানে ত্রাণ ফেলেছে বলে জানানো হয়েছে খবরে।
জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে, সর্বসাম্প্রতিক এই ত্রাণ সরবরাহ নিয়ে গাজায় যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিমান থেকে ১২৭ বার ত্রাণ ফেলেছে দেশটি।
গাজার ইমাদ নামের এক স্থানীয় সাংবাদিক আল-মাওয়াসি থেকে বিবিসি-কে সাম্প্রতিক এই ত্রাণ সরবরাহ সম্পর্কে জানিয়েছেন এবং মাঠ পর্যায়ে এই ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়ার বিপদের কথাও বলেছেন।
তিনি জানান, আকাশ থেকে ফেলা বেশির ভাগ খাবারের বস্তাই গাজার অসামরিক এলাকাগুলোতে পড়েছে। যেখান থেকে কেউ ত্রাণ আনতে গেলে বিশাল ঝুঁকিতে পড়বে।
কারণ, ওই এলাকাগুলোর লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এলাকাগুলো ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে আছে।
তবে একটি ভাল খবরও আছে জানিয়ে সাংবাদিক ইমাদ বলেন, মিশরের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, আরও বেশি ত্রাণের ট্রাক গাজায় ঢুকতে দেওয়া হবে।
ত্রাণ সংস্থাগুলো বারবারই বলে আসছে যে, আকাশ থেকে যে পরিমাণ ত্রাণ ফেলা হচ্ছে তা গাজায় খাদ্য সংকট কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
বিবিসি ওয়ার্ল্ডের এক সংবাদদাতা বলেছেন, গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের একবেলা খাবারের জন্যই প্রায় ১৬০ বস্তা খাবার বিমান থেকে ফেলা জরুরি।
সিএনবিএন /আইএনটি/সিএল

