বোয়ালখালী করেসপন্ডেন্ট :: বোয়ালখালী কালুরঘাট ভান্ডালজুড়ি সড়কের গুইদ্যাখালী-জৈষ্ঠপুরা বাইপাস সড়কখ্যাত বায়তুন নুর সড়কের ( সর্বশেষ সংস্কারের নেমপ্লেটের নাম অনুযায়ী ‘কাজী সড়ক’) সাচী গোমস্তার বাড়ির অংশে পানির তোড়ে দু’ভাগ হয়ে গেছে। অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কের প্রায় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতবিক্ষত হওয়ার পর গত আমবশ্যার জোয়ার ও কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পীলওয়ে খুলে দেয়ার কারণে পানির ঢলে সড়কটির কয়েকটি অংশ পুরোপুরি দু’ভাগ হয়ে যান এবং জন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এতে করে দুর্ভোগ বেড়েছে স্থানীয়সহ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় লক্ষাধিক মানুষের। বোয়ালখালীর উত্তরপূর্বাঞ্চলের হালকা যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির দু’পাশে প্রায় অংশ ধসে গেছে। কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির কিছু অংশ ভেঙে একেবারেই সরু হয়ে গেছে, যার কারণে দুটি সিএনজি অটোরিকশা একটি আরেকটিকে ক্রস করতে পারে না।
এই অবস্থায় গত দু’বছর ধরে সড়কটিতে কোন মেরামত বা সংস্কার কাজ হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে জোড়াতালি দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে চালিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সড়কটি ভেঙে দুভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় নিজ উদ্যোগে কাজ হচ্ছে না।
এ সড়কটিতে একটি হাই স্কুল, দুটি কিন্ডারগার্টেন কয়েকটি মাদ্রাসা রয়েছে। প্রায় হাজার খানেক শিক্ষার্থী চলাচলের একমাত্র পথ এই সড়ক। কিন্তু এমন ক্ষতিগ্রস্তে শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা চাকরিজীবী নুরুল আলন জানান, সড়কের এমন অবস্থা আগেও ছিল কিন্তু গত সপ্তাহের বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে পুরো সড়ক ভেসে গিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। গাড়িতে করে যাওয়া যাচ্ছে না। হেঁটে কষ্ট করে চলাচল করতেও সমস্যা হচ্ছে। তার মতে, ৫ আগষ্টের পর জনপ্রতিনিধি না থাকায় এমন পরিস্থিতির কথা বা সমস্যাগুলো পৌরসভার প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আনা যাচ্ছে না।
এব্যাপারে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ জানান, সড়কটির ব্যাপারে তিনি অবগত হয়েছেন এবং পৌরসভার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
সিএনবিএন /ইউপি/এনডি/সিএ

