টানা দাম বৃদ্ধির পর বাজারে কিছুটা লাগাম পড়েছে। দুই সপ্তাহ বাড়তি থাকার পর কক মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। তবে ব্রয়লার ও অন্যান্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত। পবিত্র রমজান মাসে বড় সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো বন্ধ যাওয়ার কারণেই এই স্বস্তি।
এক বিক্রেতা বলেন, রমজানে পিকনিক-সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ের অনুষ্ঠান সব বন্ধ থাকায় বিক্রিও বন্ধ। এছাড়া এক ক্রেতা বলেন, বাজারে পণ্যের দাম যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে তা কেনাও তো অসহনীয় হয়ে পড়ে আমাদের।
এদিকে চালের বাজারও স্থিতিশীল। তবে বড় ধরনের পরিবর্তন না থাকলেও এখনো সুগন্ধি চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। ডাল ও ছোলার দাম কেজি প্রতি ৫ টাকা কমেছে।
এক বিক্রেতা বলেন, বাজারে দামের যে পরিবর্তন তাতে বাজেটে তো সামলাতে পারছি না।
বাজারে তেলের দাম স্বাভাবিক থাকলেও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানের তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে রমজানের শেষের সপ্তাহে আবারও তেলের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার শঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ, আক্রান্তদের ২০ শতাংশ কলেরা রোগী
এ বিষয়ে এক ব্যবসায়ী বলেন, তেলের বাজার এখনো কোম্পানি সিন্ডিকেট করতেছে। তারা তেলের অনেক সংকট দেখাচ্ছে।
মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়লেও এখনো দাম কমেনি। মান ভেদে লেবু, শসা, বেগুন, টমেটো, গাজর কিনতে এখনো ক্রেতাদের ৬০ থেকে ১০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে মসলার বাজারে কিছুটা স্বস্তির সুবাতাস বইছে। আদা-রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। আর প্রায় আগের দামেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পহেলা বৈশাখ ও ঈদের আগে দাম কমাতে বাজার তদারকির ওপর আরও জোর দেয়ার তাগিদ ক্রেতাদের।

