নিহতরা হলেন- চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ওয়াসিম (২২) ও ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মো. ফারুক (৩২)। এছাড়া অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। তার বয়স ২৪। তার পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আহত কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বেলা সাড়ে ৩টায় আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি ছিল চট্টগ্রামের ষোলশহর রেলস্টেশনে। কিন্তু আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে খণ্ড খণ্ড জমায়েতে শিক্ষার্থীরা ষোলশহরের দিকে আসতে থাকেন। আসার পথে মুরাদপুরে একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা শুরু হয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেলে আনা হলে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহতদের একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী। আরেকজন পথচারী।
তিনি বলেন, ‘কলেজ শিক্ষার্থীর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে আমরা মৃত্যুর তথ্য পেয়েছি। তবে পুলিশ কোথাও বলপ্রয়োগ করেনি।’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুজহাত ইনু জানান, ওয়াসিমকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এবং ফারুককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনা হয়েছিল

