ফেসবুক টাইমলাইন থেকে
শুয়া চান পাখি গানটা শুনলে মন এত হু হু করে কেন, জানেন?
কারণ এই গানটা লেখা হয়েছিল কবরের পাশে বসে।
উকিল মুন্সি প্রায়ই বাসা থেকে অনেক দূরে যেতেন গানের বায়না নিয়ে।
এমনই একবার অসুস্থ স্ত্রীকে রেখে গেছিলেন দূরের এক গ্রামে।
সেখানেই খবর পেলেন, স্ত্রী মারা গেছে।
বহু দূরের পথ। ফিরতে ফিরতে স্ত্রীর দাফন শেষ। শেষ দেখাটাও আর হলো না।
উনি তখন উনার স্ত্রীর কবরের কাছে বসে লিখলেন,
শুয়া চান পাখি, আমার শুয়া চান পাখি,
আমি ডাকিতেছি তুমি ঘুমাইছো নাকি….
আমি মাঝেমধ্যেই ভাবি, বাংলা ভাষার এই গানগুলো শুনলে বুকের ভেতরটা এমন করে কেন? সাধারণ একটা গানই তো!!
এখন বুঝি এগুলো সাধারণ একটা গান না।
একেকটা গান একেকজন মানুষের জীবন। একেকজন মানুষের না পাওয়া। একেকজন মানুষের হাহাকার।
আমাদের গানগুলোতে এই হাহাকার মিশে আছে, শোনার সময় গানের এই হাহাকার মেশানো কষ্টগুলোই আমাদের বুকে অমন করে বাড়ি দেয়।
সিএনবিএন /সাহিত্য /এলসি

