লন্ডন ব্যুরো (ইউকে), সিএনএন বাংলাদেশ :: লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়। গত ৫ আগস্ট (৩৬ জুলাই) এই অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদেরকে স্বাগত জানান লন্ডন হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম।
এসময় লেবার পার্টি থেকে নির্বাচিত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ, জামায়াতে ইসলাম যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবুবক্কর মোল্লা, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধিসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মহৎ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর বিভিন্ন ঘটনা সম্বলিত চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। আগত অতিথিদের প্রতিটি গ্রাফিতির সংগ্রাম, কষ্ট, আশা ও সম্ভাবনাময় বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। এছাড়াও আগত অতিথিবৃন্দের জন্য একটি ডকুমেন্টারি প্রস্তুত করে প্রদর্শন করে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন।
এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। লন্ডন হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, জুলাই কেবল একটি দিন নয়, এটি একটি আন্দোলন, একটি চেতনা, একটি ঐক্যবদ্ধতার গল্প- যেখানে বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ আদর্শের শক্তিতে সজ্জিত হয়ে ন্যায়ের দাবিতে নেমে এসেছিল। তাদের ঐক্য ও সাহস পুরো জাতিকে আলোড়িত করেছিল। আমরা তাদের সেই সাহসিকতা ও আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
জুলাই ২০২৪-এর সকল যোদ্ধা এবং প্রবাসে অবস্থানরত প্রবাসী যোদ্ধাদেরকে এবং তাদের অবদানকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন রাষ্ট্রদূত।

এসময় আগত অতিথিরা মিলে এসময় “ইকোস অফ জুলাই আপ্রাইজিং” নামক একটি গ্রন্থের মোরক উন্মোচন করা হয়। জুলাই আপরাইজিং এ নিহত শহীদদের আত্মত্যাগের শিকড়ে গাঁথা, ন্যায়ভিত্তিক ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে অনেকগুলো লেখা এই গ্রন্থে স্থান পায়।
সিএনবিএন /ইউকে/সিএল

