30.3 C
Chittagong
Saturday, 18 April 2026
বাড়িTop Newsশবে বরাতের প্রবিত্র রাতে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শ্রমজীবী নারী!

শবে বরাতের প্রবিত্র রাতে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শ্রমজীবী নারী!

  CNN Bangladesh

রগুনা করেসপন্ডেন্ট ::বিয়ের পবিত্র স্বপ্ন যখন পাশবিক লালসার বলি হয়, তখন মানবতা থমকে দাঁড়ায়। বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে ডেকে এনে এক নারীকে চারজন মিলে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের যে ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে, তা শুনে শিউরে উঠছে পুরো দেশ। বুধবার ভোরে মসজিদের পাশে আশ্রয় নেওয়া সেই আর্তনাদ কি আমাদের সমাজের নৈতিক অবক্ষয়েরই প্রতিচ্ছবি নয়? গত ৩ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ঠিক কি ঘটেছিল ঐ নারীর সঙ্গে।

- Advertisement -nagad

ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করতেন। সেখানে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরুনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে হিরুন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য একসময় হিরুন ভুক্তভোগী নারী ও তার মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় যান এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। এরপর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে আশ্বাস দেন হিরুন।

এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে মঙ্গলবার বিকালে হিরুনের সঙ্গে মহিপুর থেকে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বরপাড়া এলাকায় আসেন ভুক্তভোগী নারী। পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরুন তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু রাতের বেলা হিরুনসহ আরও তিন জন ব্যক্তি তাকে মৃত্যুর হুমকি দিবে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন। গভীর রাতে অভিযুক্তরা একসঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে গেলে সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে পাশের একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই সারারাত অবস্থান করেন। এ বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী নারী বলেন,পরিচয়ের পর বিয়ের কথা বলে আমাকে এখানে নিয়ে আসে। রাতে চারজন মিলে আমার সঙ্গে পাশবিক আচরণ করেছে। আমি এর বিচার চাই।

একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, হিরুন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে আসছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা ও নারী দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
আপস

স্থানীয় মুসল্লি ফারুক বলেন,ফজরের নামাজ শেষে বের হয়ে দেখি এক নারী মসজিদের পাশে বসে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলে সে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।

এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন,খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

- Advertisment -

সর্বশেষ

Translate »