27.8 C
Chittagong
Monday, 6 April 2026
বাড়িTop Newsচট্টগ্রামে ২টি পিস্তল ও ইয়াবাসহ সেনাবাহীনির হাতে আটক-৩

চট্টগ্রামে ২টি পিস্তল ও ইয়াবাসহ সেনাবাহীনির হাতে আটক-৩

  নিজস্ব প্রতিবেদক

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বোয়ালখালীর সেনা- ক্যাম্পের অভিযানে দুটি পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ ৩জন ইয়াবা ব্যাবসায়ী আটক।

- Advertisement -nagad

আজ বৃহস্পতিবার(২১আগষ্ট) ভোর সাড়ে চারটায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে চট্টগ্রাম বোয়ালখালী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড রহমআলী ফকিরের বাড়ী এলাকা থেকে এদেরকে আটক করা হয়।আটককৃতরা হলেন, মো: জাকির হোসেন (৭২)পিতা: আহমদ মিয়া, মো: আরমান হোসেন জিশান (২৮)পিতা: মো: জাকির হোসেন ও জুবাইদ হোসেন রাব্বি (১৭)পিতা: গিয়াস উদ্দিন।এদের সবাই ঐ এলাকার বাসিন্দা।

সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়,  ২১ আগস্ট ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ০৪৩০ ঘটিকায়  স্থানীয় সোর্সের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এডহক ৪৮ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সালাহউদ্দিন আল মামুন, পিএসসি, জি+ এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে ২টি দেশীয় পিস্তল, ৩ টি দেশীয় অস্ত্র, ২ টি হ্যান্ড স্টিক ও ৩ টি মোবাইল ও ইয়াবাসহ তিনজন সন্ত্রাসী এবং ইয়াবা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের উদ্ধারকৃত মালামালসহ বোয়ালখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এলাকা সূত্রেজানা যায় গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের মাদকের প্রভাবে বহু কিশোর ও তরুণ বিপদগ্রস্ত হয়ে জেল-হাজতে আছে এবং এলাকায় চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে গেছে। এলাকার সাধারন মানুষ এদের বিরোধিতা করতে ভয় পায় কারণ এরা খুবই দুর্ধর্ষ এবং  পরিচিত সন্ত্রাসী। বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে এলাকায় সবসময় ভীতির সৃষ্টি করতো।

স্থানীয় একজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ”এদের কারণে আমার ছেলে আজ জেল-খানায়।আমি নিজের ছেলেকে জেলে পাঠিয়েছি!গতবছর ছয়মাস মাদক নিরাময় কেন্দ্রে থাকার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি আসে আমার ছেলে।বেশ কয়েকমাস ভালোই ছিলো কিন্তু এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিছানো জালে জড়িয়ে  সে আবার নেশা করতে শুরু করে। ঘরের মধ্যেই ওর মা’র সামনে ঘন্টা দেড়েক সময় নিয়ে ইয়াবা সেবন করে।আমি গরীব মানুষ রিক্সা চালিয়ে খাই, টাকা না দিলে ছেলে মারতে আসে। তাই বাধ্য হয়ে জেলে পাঠিয়েছি।”

‘ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হাত অনেক লম্বা’ বলেও অভিযোগ করেন আরেকজন।তাদের সেলম্যানরা প্রথমে কিশোর ও যুবকদের টার্গেট করে ফ্রী ইয়াবা সেবন করায়।কয়েকদিন পর অভ্যস্থ হয়ে গেলে ফ্রী বন্ধ করে দেয়।এভাবেই একটা ছেলে ইয়াবা সেবক হয়ে উঠে। শুধুমাত্র কধুরখীল এলাকাজুড়েই অনেকগুলো ইয়াবা ব্যবসায়ীর আস্তান আছে বললেন স্থানীয়রা,একেক এলাকায় আলাদা আলাদা ব্যবসায়ী।

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন একটু আন্তরিক হলে অচিরেই সমাজ ইয়াবার কলঙ্ক মুক্ত হবে।

- Advertisment -

সর্বশেষ

Translate »